24 November 2014 , Monday
Bangla Font Download
সংবাদ শিরোনাম:

You Are Here: Home » অন্যরকম সংবাদ » নগ্ন ফটোগ্রাফি হল নগ্ন দেহের শৈল্পিক প্রদর্শন

নগ্ন ফটোগ্রাফি হল নগ্ন দেহের শৈল্পিক প্রদর্শন

একুশে নিউজ : নগ্নতা বলতে একশ্রেণীর মানুষের অনাবৃত দেহে জীবনযাপনের প্রবণতা বোঝায়। নগ্নতা হলো পোশাকহীন শারীরিক অবস্থা।কেবল পূর্ণাঙ্গ শরীর নয়, প্রথাগত পোষাকের চেয়ে স্বল্পবাস পরিধানও নগ্নতাজ্ঞাপক। আধুনিক সমাজে পুরুষের জন্য নাভীমূল থেকে হাঁটু অবধি এবং নারীর জন্য সর্বাধিক শরীর আবৃতকরণ একটি সামাজিক প্রথা। সাধারণভাবে শালীনতাবোধ নগ্নতাকে সমর্থন করে না। তবে স্থান ও কাল ভেদে শালীনতাবোধের ধারণা বিভিন্ন। সভ্য সমাজে যা শালীন, আদিম সমাজে তা বিপরীত।কোনো কোনো নির্দিষ্ট সমাজব্যবস্থায় চিত্রে, ভাস্কর্যে ও সাহিত্যে নগ্নতাকে নান্দনিকতার এক বিশেষ উপাদান মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নগ্নসৌন্দর্যের বর্ণনায় লিখেছেন:
“     ফেলো গো বসন ফেলো – ঘুচাও অঞ্চল।

পরো শুধু সৌন্দর্যের নগ্ন আবরণ
সুরবালিকার বেশ কিরণবসন।…

ইতিহাস
নৃতত্ত্ববিদরা মনে করেন, আদিম মানুষ নগ্ন অবস্থায় থাকত। তবে সাম্প্রতিক গবেষণা থেকে জানা যায় যে সম্ভবত ৭২,০০০ বছর আগেই মানব সমাজে নগ্নতা নিবারণের জন্য পোষাকের ব্যবহার শুরু হয়। বাইবেলে বর্ণিত আদম ও ইভের উপাখ্যান অনুযায়ী, ঈশ্বর প্রথম নর ও নারীকে নগ্ন অবস্থায় সৃষ্টি করেছিলেন; এবং নগ্নতার জন্য তাঁদের মনে কোনো লজ্জা ছিল না। [পরে শয়তান কর্তৃক প্ররোচিত হয়ে ঈশ্বরের আজ্ঞা লঙ্ঘন করে তাঁরা যখন জ্ঞানবৃক্ষের ফল ভক্ষণ করে, তখন তাঁদের জ্ঞানচক্ষু উন্মীলিত হয় এবং নিজেদের নগ্ন দেখে তাঁরা লজ্জিত হয়ে পড়েন।
মাইকেলঅ্যাঞ্জেলোর ডেভিড

কোনো কোনো প্রাচীন সভ্যতায় নগ্নতাকে অপমানকর বলে মনে করা হত। আদি বাইবেলে ফ্যারাও-শাসনাধীন মিশর ও ইহুদিদের একটি বর্ণনা থেকে এই চিত্র পাওয়া যায়: "আসিরিয়ার সম্রাট এই দুই দেশ [মিশর ও সুদান] থেকে বন্দীদের বিবস্ত্র অবস্থায় নিয়ে যাবে। যুবা-বৃদ্ধ সকলকেই নগ্ন পদে বিবস্ত্র অবস্থায় পথ চলতে হবে, তাদের অনাবৃত নিতম্ব মিশরের লজ্জার কারণ হবে।”প্রাচীন গ্রিক সভ্যতায় খেলাধুলা ও সংস্কৃতির জগতে পূর্ণবয়স্ক ও কিশোরদের নগ্নতার সৌন্দর্যের দিকটি বিশেষভাবে প্রশংসিত হত। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বালক, নারী ও বালিকাদের নগ্নতাও প্রশংসা পেত। গ্রিকদের সৌন্দর্য চেতনায় প্রকৃতি, দর্শন ও শিল্পের পাশাপাশি মানবদেহেরও বিশেষ স্থান ছিল। গ্রিক শব্দ জিমন্যাসিয়াম কথাটির অর্থ ছিল “যেখানে নগ্ন অবস্থায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়”। পুরুষ খেলোয়াড়রা নগ্ন অবস্থায় প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হতেন। কিন্তু সেযুগে অধিকাংশ নগররাষ্ট্রেই নারীদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ, এমনকি দর্শকাসনে উপস্থিত থাকার অনুমতিও ছিল না। তবে স্পার্টা ছিল এর এক উজ্জ্বল ব্যতিক্রম। রোমানরা গ্রিক সংস্কৃতির অনেক রীতিনীতি গ্রহণ করলেও, নগ্নতা সম্পর্কে তাদের মানসিকতা পৃথক ছিল। সাধারণ স্নানাগার বা সাধারণ শৌচাগার ছাড়া অন্যত্র নগ্নতাকে অনুচিত আখ্যা দেওয়া হত।

খ্রিষ্টীয় চতুর্থ শতাব্দীতে খ্রিষ্টধর্ম রোমান সাম্রাজ্যের রাষ্ট্রধর্ম ঘোষিত হলে গ্ল্যাডিয়েটর ক্রীড়া ধীরে ধীরে উঠে যায় এবং প্রাপ্তবয়স্কদের নগ্নতা পাপের পর্যায়ে পর্যবসিত হয়। খ্রিষ্টধর্মের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে এটি একটি প্রথায় পরিণত হয়। যদিও অষ্টম শতাব্দী পর্যন্ত পশ্চিম ইউরোপে খ্রিষ্টানরা নগ্ন অবস্থায় ব্যাপ্টাইজড হতেন।[৬] ষষ্ঠ শতাব্দীতে সেন্ট বেনেডিক্ট অফ নার্সিয়া তাঁর নিয়মাবলিতে সন্ন্যাসীদের তাঁদের ডরমিটরিতে সম্পূর্ণ পোষাক পরিহিত অবস্থায় ঘুমানোর পরামর্শ দেন। পঞ্চদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপীয় পুরুষেরা মূলত আলখাল্লা জাতীয় পোষাক পরতেন; তারপর কডপিস, টাইটস ও টাইট ট্রাউজার্সের প্রচলন হয়। এই পোষাকগুলি পুরুষাঙ্গকে ঢেকে রাখলেও তার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করত।

শাস্তি
ইরাকের আবু গারিব বন্দী নির্যাতন। এখানে বন্দীদের নগ্ন করে অপমান করা হয়। এই ঘটনা সারা বিশ্বে নিন্দিত হয়ডাইনি শিকারের সময় অভিযুক্ত ডাইনিদের নগ্ন করে তথাকথিত ডাইনি চিহ্নগুলি পরীক্ষা করা হত। এই সব চিহ্ন তাদের বিরুদ্ধে বিচারের প্রমাণ হিসেবে পেশ করা হত।[৭]নগ্নতা (সম্পূর্ণ বা অংশত) শারীরিক শাস্তির অংশ হতে পারে। জনসাধারণের সামনে কাউকে অপমান করার ক্ষেত্রেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই শাস্তির ব্যবহার করা হয়ে থাকে। নাৎসিরা তাদের কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে বন্দীদের জোর করে নগ্ন করে রাখত। এই ঘটনা শিন্ডলারস লিস্ট নামক চলচ্চিত্রে বর্ণিত হয়েছে।২০০৩ সালে ইরাকের আবু গারিব কারাগারে কুখ্যাত বন্দী নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। মার্কিন সেনা কর্মচারীরা এখানে বন্দীদের নগ্ন করে, কখনও বেঁধে ও ভয় পাইয়ে দিয়ে তার ফটো তুলে রেখেছিল।

নগ্ন ফটোগ্রাফি
ফটোগ্রাফির আবিষ্কারের সময় থেকেই তাতে নগ্নতার ব্যবহার প্রচলিত। তবে ফটোগ্রাফিতে নগ্নতার মধ্যে সবসময় শৈল্পিক মেধা বিকশিত না হলেও, নগ্ন ফটোগ্রাফি বা ন্যুড ফটোগ্রাফিতে হয়ে থাকে। ফটোগ্রাফিতে নগ্নতা সাধারণত স্ন্যাপশট; কিন্তু নগ্ন ফটোগ্রাফি কোনো ব্যক্তির স্থির অবস্থায় তোলা ছবি। শিল্পকৃতি হিসেবে, নগ্ন ফটোগ্রাফি হল নগ্ন দেহের শৈল্পিক প্রদর্শন। এখানে মানবদেহের রেখা ও রূপই প্রধান উদ্দেশ্য।অনেক ফটোগ্রাফারই একটি আর্ট ন্যুড ফটোগ্রাফকে ব্যক্তির বদলে মানবদেহের পাঠ মনে করেন। ব্যক্তির ফটোগ্রাফ, যেখানে তাঁকে চেনার উপায় থাকে, তাকে পোর্ট্রেট বলা চলে। কিন্তু অনেক ন্যুড ফটোগ্রাফে ব্যক্তির মুখই দেখা যায় না। ফটোগ্রাফারেরা অনেক সময় আলোছায়ার চরম ব্যবহার, তৈলাক্ত ত্বক অথবা দেহের গঠন বোঝাতে ছায়ার ব্যবহার করে থাকেন।[৯]প্রথম যুগের ফটোগ্রাফাররা অনেক সময়ই নারীদের নগ্নতা ফটোগ্রাফিতে ফুটিয়ে তুলতেন। এঁদের মধ্যে ফেলিক্স-জ্যাক মলিন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এডওয়ার্ড ওয়াটসন, রুথ বার্নহার্ড ও জেরি অ্যাভেনেইম প্রমুখ ফটোগ্রাফাররা শিল্পকর্ম হিসেবে দেহের রেখা প্রদর্শন করতে পছন্দ করতেন।ইরোটিক ফটোগ্রাফি ও পর্নোগ্রাফিতেও অনেক সময় নগ্ন বা অর্ধনগ্ন মডেলদের শৈল্পিক চিত্র বিধৃত হয়ে থাকে।স্পেনসার টিউনিক নির্মিত সারা বিশ্বের নানা প্রকাশ্য স্থানে এক দঙ্গল নগ্ন লোকের স্থিতিস্থাপক ফটোগ্রাফি উচ্চ মানের শিল্পমেধার জন্য নন্দিত।

নগ্ন ক্যালেন্ডার
নগ্ন ক্যালেন্ডার প্রকাশের প্রথাও দ্রুত বিকাশলাভ করেছে। এগুলি বর্তমানে এক প্রকার বার্ষিক প্রথায় পরিণত হয়েছে। এই ক্যালেন্ডারগুলি দুই প্রকার:

নগ্ন নারী চিত্রসম্বলিত ক্যালেন্ডার (এর উদ্দিষ্ট গ্রাহক বিষমকামী পুরুষেরা)
নগ্ন পুরুষ চিত্রসম্বলিত ক্যালেন্ডার (উদ্দিষ্ট গ্রাহক নারী ও সমকামী পুরুষেরা)।

বিগত দুই দশকে নগ্ন দাতব্য ক্যালেন্ডার প্রকাশের প্রথাও বিকাশলাভ করেছে। সফল দাতব্য নগ্ন ক্যালেন্ডারগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল গডস অফ দ্য স্টেডিয়াম (ফ্রান্স) এবং গডস অফ ফুটবল, লিগ অফ দেয়ার ওন ও নেকেড রাগবি লিগ অস্ট্রেলিয়ান স্পোর্টস ক্যালেন্ডার।

পাশ্চাত্য সংস্কৃতি প্রাকৃত নগ্নতা
অল্পসময়ের জন্য আবশ্যকীয় নগ্নতাকে (যেমন সৈকতে পোষাক পরিবর্তন) অশালীন মনে করা হয় না। তবে সৈকতে দীর্ঘক্ষণ নগ্ন অবস্থায় থাকাটা অশালীন বলে বিবেচিত হয়। যদিও নগ্ন সৈকতগুলিতে নগ্নতা গ্রহণযোগ্য। পাশ্চাত্য সমাজে নারীদের প্রকাশ্যে স্তন্যপান করানোয় অনেক ক্ষেত্রে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। ২০০৭ সালের জুন মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্রুক রায়ান নামে জনৈক মহিলা একটি রেস্তোরাঁয় তাঁর সাত মাসের শিশুপুত্রকে স্তন্যপান করাতে গেলে রেস্টুরেন্টের মালিক আপত্তি জানান। সেদেশে প্রকাশ্যে স্তন্যপান করানো যে আইনসঙ্গত সেই সংক্রান্ত একটি নথি দেখিয়েও তিনি মালিকের অনুমতি পাননি। অগত্যা তাঁকে গাড়ির মধ্যে পুত্রকে স্তন্যপান করাতে হয়। পরে তিনি ওই রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগঠিত করেন।[১০] উল্লেখ্য, অধিকাংশ মার্কিন অঙ্গরাজ্যেই (২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসের হিসেব অনুযায়ী ৪০টি) মায়েদের প্রকাশ্যে সন্তানকে স্তন্যপান আইনসঙ্গত।[১১]

অনাবৃত স্তন
অনেক পাশ্চাত্য দেশে এবং সূর্যস্নানের মতো কয়েকটি ক্ষেত্রে মহিলাদের স্তন অনাবৃত রাখাকে অশালীন বলে মনে করা হয় না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনেক রাজ্যে অবশ্য প্রকাশ্যে মহিলাদের স্তনবৃন্ত প্রদর্শন ফৌজদারি অপরাধের মধ্যে পড়ে এবং প্রকাশ্য স্থানে তা করার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। যুক্তরাজ্যে পাবলিক অর্ডার অ্যাক্ট অফ ১৯৮৬ অনুসারে নগ্নতাকে “হয়রানি, সতর্কীকরণ বা যন্ত্রনা প্রদানের” জন্য ব্যবহার করা যায় না।কয়েকটি বিচারের রায় থেকে পাশ্চাত্য সমাজে “মুক্তস্তন সমতা” (“টপফ্রি ইকুয়ালিটি”) আন্দোলনের সূচনা হয়। এই আন্দোলনের মূল বক্তব্য ছিল পুরুষেরা যেমন কোমরের ঊর্ধ্বাংশ অনাবৃত রাখে, মহিলাদেরও তেমনই অধিকার পাওয়া উচিত। এই সূত্রে ইংরেজিতে “টপলেস” শব্দটির যৌন অনুষঙ্গ এড়াতে “টপফ্রি” শব্দটির প্রচলনও হয়।

নগ্নতাবাদ
নগ্নতাবাদ (ইংরেজি: Naturism বা nudism) একটি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের নাম। এই আন্দোলন সর্বসমক্ষে ও প্রকাশ্যে নগ্নতাকে সমর্থন জানায় এবং তার সপক্ষে মতপ্রকাশ করে।শালীনতার যে প্রচলিত ধারাটি ব্যক্তিগত, পারিবারিক বা সামাজিক নগ্নতার বিরোধী নগ্নতাবাদীরা তা প্রত্যাখ্যান করে থাকেন। পরিবর্তে তাঁরা এমন এক সামাজিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে চান যেখানে মানুষে নগ্ন মানুষের সাহচর্যে অথবা অন্যান্য নগ্নতাবাদী বা সাধারণ মানুষের সামনে নগ্ন হয়ে থাকতে অস্বস্তিবোধ করবে না।

নগ্ন স্নান
এই প্রথানুযায়ী ইউরোপের অনেক দেশে (বিশেষত জার্মানি, ফিনল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডে) উভয় লিঙ্গের মানুষেরই দলবদ্ধ অবস্থায় নগ্ন হয়ে স্নান স্বীকৃত। অধিকাংশ জার্মান স্পা-তে মিশ্র নগ্ন স্নানের অনুমতি দেওয়া হয়। জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন ও গ্রিসের সৈকত ও সুইমিং পুলগুলিতে নগ্ন হয়ে স্নান অনুমোদিত। উল্লেখ্য, মহাদেশীয় ইউরোপে নগ্নতাকে অ্যাংলো-স্যাক্সন জগতের রক্ষণশীলতার তুলনায় অনেক লঘু করে দেখা হয়।সনা ব্যবস্থার উৎস ফিনল্যান্ডে। এই দেশে এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়া ও ইউরোপের অন্যান্য জার্মান-ভাষী রাষ্ট্রে সনায় নগ্ন অবস্থান অনুমোদিত। সনা বর্তমান ফিনল্যান্ডে অতি সুপরিচিত। এখানে বর্তমানে প্রতি তিন জন নাগরিকের জন্য একটি করে সনা রয়েছে। বিগত কয়েক দশকে সমগ্র ইউরোপেই সনা অত্যন্ত জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

নগ্নতা ও যৌনতা
যৌনসঙ্গীর সম্মুখে নগ্নতা সামাজিকভাবে অনুমোদিত; তবে সব ক্ষেত্রে নয়। উদাহরণ স্বরূপ, কেউ কেউ কেবলমাত্র যৌনসংগমের সময়ই আলোতে বা অন্ধকারে নগ্নতাকে অনুমোদন করেন। এছাড়া সঙ্গীর সঙ্গে স্নানের সময় বা স্নানের পরে, চাদর বা কম্বলের আবরণের অন্তরালে, অথবা ঘুমানোর সময় সঙ্গীর সম্মুখে নগ্নতা অনুমোদিত।
তথ্যসূত্র

Leave a Reply

সম্পাদক ও প্রকাশক : এস.এম শহীদুল ইসলাম, নির্বাহী সম্পাদক : এম. আর মিঠু, বার্তা সম্পাদক : এম. বেলাল হোসাইন, মফস্বল সম্পাদক : শফিকুল ইসলাম। সার্বিক বিষয়ে যোগাযোগ : সম্পাদক ০১৭১৬-৬৪৬০৫১, নির্বাহী ০১৭১১-৯৪৪২৬২, বার্তা ০১৭৫৯-৫৬৫৮৮০, মফস্বল ০১৭১৮-৭৬৮৩৩০। ই-মেইল : ekusheynews@gmail.com কপিরাইট © 2014 ekusheynews.com এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।